নরেন্দ্র মোদীর দক্ষিণপন্থী বিজেপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় কুমার মিশ্র টেনির মালিকানাধীন এসইউভি ও ছিল একটি গাড়ীর বহরের মধ্যে যাতে উত্তর ভারতের উত্তর প্রদেশে রবিবার প্রতিবাদী কৃষকদের মধ্যে ইচ্ছেকৃত ভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যাতে চারজন কৃষক এবং একজন স্থানীয় সাংবাদিক নিহত হন।
এসইউভি গাড়ীগুলির মধ্যে একটির চালক এবং তিনজন বিজেপি কর্মী নিহত হন যখন কৃষকরা তাদের উপর নির্বিচারে আক্রমন করে এবং তাদের পিটিয়ে হত্যা করে। দুটি এসইউভিও জ্বালিয়ে দেয়।
রাজ্যের রাজধানী লখনউ থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে টিকোনিয়া-বনবীরপুর সড়কের লখিমপুর খেরির কাছে এই মারাত্মক সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
হামলা প্রত্যক্ষ করা কৃষকদের মতে, চার কৃষকের মধ্যে একজনকে বিজেপি মন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্র গুলি করে হত্যা করেছে। তবে, তিনি দাবি করেন যে তিনি কনভয়ের অংশ ছিলেন না।
মৃত কৃষক - গুরবিন্দর সিং, ১৯; লাভপ্রীত সিং, ২০; দলজিৎ সিং,৩৫; এবং নচত্তর সিং ৬০ ছিলেন সেই ভিড়ের মধ্যে যারা বিজেপি-র কৃষি আইনের প্রতিবাদ করতে জড়ো হয়েছিল। স্থানীয় সাংসদ অজয় মিশ্র বিক্ষোভকে বিশেষ করে নিশানা করেছিলেন, তিনি সম্প্রতি বিজেপির কৃষি 'সংস্কার' আইনের বিরুদ্ধে প্রায় বছরব্যাপী চলা আন্দোলনের বিরুদ্ধে হুমকীপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন।
দ্রুতগামী এসইউভিগুলি ১২ জন কৃষককে আহত করেছে এবং আরও ৫০ জন আঘাত পেয়েছে,যখন উত্তরপ্রদেশ পুলিশ তাদের প্রথাগত বর্বরতার সাথে হস্তক্ষেপ করেছিল তখন কয়েকজন খুব গুরুতর।
রোববার কৃষকদের উপর হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভারতজুড়ে হৈচৈ পড়ে যায় এবং লখিমপুর খেরি জেলায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তরপ্রদেশ (ইউপি) সরকার, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে মোদি ঘনিষ্ঠ যোগী আদিত্যনাথ, জেলাটিতে ভারতীয় ফৌজদারী বিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে, যেখানে চারজনের বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটি আধা -সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, এবং, কোন প্রকাশ্য ঘোষণা ছাড়াই, লখিমপুর খেরির ইন্টারনেট এবং সেলফোন পরিষেবা বন্ধ করেছে । বিরোধী নেতারা যারা কৃষকদের সাথে কথা বলার জন্য এলাকা পরিদর্শনের চেষ্টা করেছেন, কংগ্রেস পার্টির প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ তাদের তা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে।
ভারতবর্ষে সামাজিক বিরোধিতা দমন করার জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে কংগ্রেস বা বিজেপির নেতৃত্বে ভারতীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে আসছিল এমন কৌশলগুলি।
লখনউ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন ইউপি সরকারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় টেলিভিশন সাংবাদিক রমন কাশ্যপের মৃত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ দায়ের করতে। এটি তার পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চাইছে। কাশ্যপ কীভাবে মারা গেলেন তা নিয়ে পরস্পরবিরোধী প্রতিবেদন রয়েছে। কিছু বিবরণ অনুসারে, এসইউভি গুলি ইচ্ছাকৃতভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর চাপানোর ছবি তোলার জন্য বিজেপির গুন্ডারা তাকে মারধর করে।
মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার মৃত কৃষকদের পরিবারের জন্য ৪৫ লক্ষ টাকা (প্রায় ৬১,০০০ ডলার) ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
হামলার সঠিক বিবরণ অস্পষ্ট, কিন্তু কেন্দ্রে এবং ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার কর্তৃক প্রতিবাদী কৃষকদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসাত্মক পরিবেশের কারণে এই ঘটনা তাতে কোন সন্দেহ নেই । মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ একজন হিংস্র হিন্দু আধিপত্যবাদী, যিনি নিয়মিতভাবে মৌলিক গণতান্ত্রিঅধিকারের প্রতি কঠোরতা চালান এবং সরকারী বিরোধী, মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় হিংসতা প্রকাশ করেন। তিনি কৃষকদের বিক্ষোভের নিন্দা করেছেন — এই আন্দোলন যা বিশেষ করে উত্তর ভারতের রাজ্য উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে কৃষকদের উত্তেজিত করেছে এবং ভারতবর্ষ জুড়ে শ্রমজীবী মানুষের সহানুভূতি জিতেছে – তাকে 'দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র” বলেছেন ।
একটি টুইটে ইউপি মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে রবিবারের ঘটনাগুলি 'পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে এবং অসামাজিক কাজে যারা জড়িত তাদের সামনে আনা হবে।' 'অসামাজিক অপরাধী' একটি বাক্যাংশ আদিত্যনাথ এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা প্রায়ই তাদের কৃষি আইন এবং হিন্দু আধিপত্যবাদী এজেন্ডার বিরোধীদের ধোঁকা দিতে ব্যবহার করেন।
নিহত কৃষকদের আত্মীয়স্বজন এবং তাদের সমর্থকরা রবিবারের হত্যাকাণ্ডের স্থানে রয়ে গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগের লাশই সোমবারের জন্য প্রদর্শিত হয়েছিল। যদিও ইউপি সরকার রাজ্য নিরাপত্তা বাহিনীকে একত্রিত করেছিল, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করার জন্য এটি ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (বিকেইউ -ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন) নেতাদের উপর নির্ভর করেছিল। তারা কৃষকদের 'শান্তি বজায় রাখতে' এবং লখিমপুর খেরিতে না আসার আহ্বান জানায়। শীর্ষ ইউপি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর, বিকেইউ মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত হামলা স্থলে থাকা লোকদের চলে যাবার জন্য রাজি করান। তিনি তাদের বলেছিলেন যে আশিস মিশ্রের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং রাজ্য সরকার রবিবারের ঘটনা তদন্তের জন্য একজন অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য বিচারক নিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে এটি তাদের একটি বড় 'বিজয়' ।
প্রতিমন্ত্রী অজয় কুমার মিশ্রের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে। মোদি বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কেউই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি, বা ফৌজদারি তদন্ত চলাকালীন মিশ্রকে পদত্যাগ করতেও বলেননি।
সেপ্টেম্বরে, মিশ্র স্থানীয় কৃষকদের হুমকি দিয়েছিল যখন তারা তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় তার উপস্থিতির সময় কালো পতাকা প্রদর্শন করেছিল। মিশ্র ঘোষণা করেছিলেন, 'তোমরা নিজেদেরকে ঠিক করো অথবা আমার মুখোমুখি হও।' 'আমি তোমাদেরকে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঠিক করে দেব।' তার জঘন্য অতীত নিয়ে গর্ব করে, 'তিনি চালিয়ে যান। “আমি শুধু একজন মন্ত্রী বা এমএলএ (রাজ্য বিধানসভা) বা সাংসদ নই। আমি বিধায়ক হওয়ার আগে থেকে যারা আমাকে চেনেন তারাও জানেন আমি চ্যালেঞ্জ থেকে কখনো পিছপা হই না।
নভেম্বরের শেষ থেকে, হাজার হাজার কৃষক ভারতের রাজধানী দিল্লির উপকণ্ঠে ক্যাম্প করে রয়েছেন কর্পোরেটপন্থী তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে, যা বিজেপি সংসদে সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে তাড়াহুড়ো করে পাশ করিয়েছিল। ভারতের কৃষি ক্ষেত্র সংকটে পড়েছে গত দুই দশক বা তারও বেশি সময় ধরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র কৃষক এবং কৃষি শ্রমিক উভয়ই দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে। যদিও দেশের ১৩৯ কোটি মানুষের অর্ধেক তাদের জীবিকার জন্য কৃষির উপর নির্ভর করে, এটি দেশের ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপির মাত্র ১৫ শতাংশ উৎপাদন করে।
সরকারের সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হল যে, কৃষকদের আন্দোলন ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীর কোভিড -১৯ মহামারীর অপরাধমূলক অপব্যবহার এবং শ্রমিক সংগ্রামের ঢেউ-বিজেপি সরকারের বিনিয়োগকারীপন্থী নীতির বিরুদ্ধে - -কঠোরতা, বেসরকারীকরণ পরিবেশগত এবং শ্রম মান এবং অনিশ্চিত চুক্তি শ্রম কর্মসংস্থান এগুলিকে ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয় ক্ষোভের সাথে সংযুক্ত করবে ।
রবিবারের হত্যাকান্ড মোদী সরকার এবং বিজেপির প্রতি ইঙ্গিত করছে যা ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয় বিরোধীদের দ্বারা ক্রুদ্ধ এবং ভীত হয়ে পড়ছে। তাদের হতাশার জন্য, তারা তিনটি কৃষি বিলে নাম মাত্র সংশোধনের প্রস্তাবের মাধ্যমে কৃষকদের হারাতে বা তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিভাজন তৈরী করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান, মোদী এবং তার বিজেপি হিংসতার মাধ্যমে একটি উপায় খুঁজছে। কৃষক আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র হরিয়ানা রাজ্যে, মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের নেতৃত্বে বিজেপি রাজ্য সরকার আগস্টের শেষের দিকে কৃষকদের বিক্ষোভে হিংস্রভাবে হামলার নির্দেশ দেয়। সুশীল কাজা নামে একজন ৫৫ বছর বয়সী কৃষককে পুলিশ নির্মমভাবে পিটিয়ে মারে এবং আরও কয়েকজন কৃষক আহত হয় ।
বিজেপি সদস্যদের সাম্প্রতিক একটি ভিডিও-বক্তৃতায়, খট্টর তাদের প্রতিবাদী কৃষকদের মারধর করার জন্য রাজ্যে জুড়ে লাঠি নিয়ে সজ্জিত গুন্ডা দল গঠন করার আহ্বান জানান। তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল: 'প্রতিটি জেলায়, বিশেষ করে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলায়, আমাদের ৫০০-৭০০ কিষান (কৃষক) স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল গড়ে তুলতে হবে এবং তারপরে যে যেমণ তার সাথে তেমন করতে হবে' ভিডিওতে বিজেপি সদস্যদের শ্রোতাদের হিংসার এই খোলা আহ্বানে হাসতে শোনা যাচ্ছে।
বিজেপি কেন্দ্রীয়, ইউপি এবং হরিয়ানা রাজ্য সরকার কৃষকদের আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করে চলেছে। তারা গত নভেম্বরে তাদের আন্দোলনের শুরুতে কৃষকদের দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দিতে সফল হয়েছিল, কিন্তু তারা লক্ষ লক্ষকে শহরের উপকণ্ঠে যেতে বাধা দিতে পারেনি। এবং প্রতিবাদ কয়েক সপ্তাহে প্রসারিত হয়ে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর বিরোধীদের জন্য সমাবেশস্থলে পরিণত হওয়ায় বিজেপি সরকার দৃশ্যত সংকটে পড়ে যায়। তাদের কর্তৃত্ববাদী প্রবৃত্তির প্রতি সত্য, মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ প্রতিবাদী কৃষকদের হিংসভাবে ছত্রভঙ্গ করে দিতে, হাজার হাজার নিরাপত্তা বাহিনীকে জড়ো করে এবং তাদের 'দেশবিরোধী' বলে অভিহিত করার জন্য প্রচার চালানোর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্ট একের পর এক বিজেপি সরকারের গণতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছে। যাইহোক, শাসক শ্রেণীর বিস্তৃত শ্রেণীর মধ্যে এই আশঙ্কার কারণে যে, একটি হিংসাত্মক দমনপীড়ন শ্রমিকদেরকে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সংকটে হস্তক্ষেপ করতে সাহায্য করতে পারে, কোর্ট বিজেপির কৃষকদের বিক্ষোভ দমন করার পরিকল্পনাকে 'অবৈধ' ঘোষণা করে সবুজ সংকেত দেয় না। পরবর্তীতে, এটি সরকারকে পরিস্থিতি নিরসন করার জন্য একটি ব্যবস্থা প্রদান করতে চেয়েছিল, সেই হিসাবে কৃষক এবং সরকার এর মধ্যে আলোচনার সময় তিনটি কৃষি আইনের প্রয়োগ স্থগিত করে।
যাইহোক, বিজেপির মতো এবং তার বিনিয়োগকারীপন্থী নীতির দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বড় ব্যবসায়ীদের চাপ বাড়ানোর বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে, কৃষকদের প্রতি সুপ্রিম কোর্টের মনোভাব কঠোর হচ্ছে। যখন কৃষি আইনের প্রতিবাদী নেতারা সম্প্রতি একটি সমাবেশ করার জন্য রাজধানীতে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন, তখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের একটি প্যানেল কৃষকদের আন্দোলনের নিন্দা জানায়। আদালত ঘোষণা করেন, 'আপনারা দিল্লিকে শ্বাসরোধ করে ফেলেছেন,' “মহাসড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ... এমনকি সশস্ত্র বাহিনীর চলাচল বন্ধ করে দিয়ে তাদের ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এখন আপনারা শহরের ভিতরে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চান?”
সোমবার, লখিমপুর খেরি কৃষকদের বিরুদ্ধে বিজেপির হিংস উস্কানির মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরে, সুপ্রিম কোর্টের আরেকটি বেঞ্চ খোলাখুলিভাবে কৃষকদের আন্দোলনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে । যখন কৃষি আইন স্থগিত আছে এবং আদালতে আইনগুলির সাংবিধানিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে, তখন বিক্ষোভের জন্য কৃষকদের তিরস্কার করে । 'যখন কৃষকরা আদালতে আইন চ্যালেঞ্জ করছে, তখন রাস্তায় বিক্ষোভ কেন?' বিচারক জিজ্ঞাসা করেন। অসাধারণভাবে, ভারতের সর্বোচ্চ আদালত ঘোষণা করেছে যে ২০ অক্টোবর এটি প্রতিবাদ করার 'পূর্ণ স্বাধীন' অধিকার আছে কিনা তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে — এটা আসলে ঘোষণা করছে যে সরকারকে কৃষকদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য রাষ্ট্রীয় হিংসতা প্রয়োগে একটি আইনী রক্ষা কবজ সরবরাহ করতে চায় ।
