পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ করতে অক্ষম হওয়ায়, কলম্বো সরকার এই সপ্তাহে মরিয়া হয়ে অনেক সাধারণ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে, যা শ্রমিক, দরিদ্র মানুষ এবং যুবকদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ উস্কে দিয়েছে। জ্বালানি, খাদ্যদ্রব্য ও ওষুধসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানির জন্য সরকারের কাছে কার্যত কোনো বৈদেশিক মুদ্রা নেই।
সোমবার রাষ্ট্রপতি গোটাভায়া রাজাপাক্ষে এবং প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে একটি নতুন দফা আলোচনা শুরু করেছে যাতে বেলআউট ঋণ পাওয়ার জন্য তাদের আরও কঠোর ব্যয় হ্রাস ব্যবস্থা আরোপ করতে হবে।
এই সপ্তাহ থেকে ইতিমধ্যে ব্যবস্থাগুলির বাস্তবায়ন হয়েছে যার মধ্যে সোমবার থেকে সমস্ত সরকারী দপ্তরের কর্মচারীদের জন্য দুই সপ্তাহের 'বাড়ি থেকে কাজ' করার নিয়ম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু ঘরে বসে কাজ করার জন্য ইন্টারনেট এবং কম্পিউটারের মতো কোনো উপযুক্ত সুবিধা নেই। পাবলিক প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে দুইদিন কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে আসতে বলেছে।
দুই সপ্তাহ আগে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের কারণে সব সরকারি কর্মচারীর জন্য শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এই শ্রমিকদেরকে নিষ্ঠুরভাবে বলা হয়েছিল তীব্র খাদ্য সংকট সেই কারণে ছুটিতে তাদের বাড়ির বাগানে চাষ করতে।
সরকারি কর্মচারীরা পূর্বে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত আয় উপার্জনের প্রচেষ্টায় ওভারটাইম করতেন, কিন্তু প্রদত্ত ওভারটাইম বন্ধ করা হয়েছে। কাজের দিন কমে যাবার কারণে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতনও কাটা হয়েছে।
যদিও 'বাড়ি থেকে কাজ' এই ব্যাবস্থা দুই সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত ছিল, বেশ কয়েকজন কর্মচারী WSWS-কে বলেছেন যে এটি কবে শেষ হবে তা অনিশ্চিত। তারা উল্লেখ করেছে যে শ্রীলঙ্কা ও অন্যান্য দেশে জ্বালানি সংকট কমছে না।
রবিবার, শক্তি মন্ত্রকের মন্ত্রী কাঞ্চনা বিজেসেকেরা বেসরকারী সংস্থাগুলিকে 'বাড়ি থেকে কাজ' চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন, যেমন তাদের মধ্যে কেউ কেউ COVID-19 মহামারীর আগের সময়কালে করেছিলেন। অপর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক অর্ডারের অভাবের কারণে, কিছু কোম্পানি ইতিমধ্যে সপ্তাহে দুই বা তিন দিন কাজ কমিয়ে দিয়েছে। কোম্পানিগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে শ্রমিকরা তাদের চাকরি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রক প্রধান শহরগুলির সমস্ত সরকারী এবং বেসরকারী স্কুল সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে অনলাইনে শিক্ষা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। যাইহোক, এই বন্ধগুলিও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। স্কুলের প্রিন্সিপ্যালরা ছাত্র-ছাত্রীদের তাঁদের না জানানো পর্যন্ত স্কুলে আসতে নিষেধ করেছেন।
সারা দেশে, পরিবহন পরিষেবা ব্যাপকভাবে কমে যাবার কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না বলে শিক্ষার বড় ব্যাঘাত ঘটছে।
দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়, পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা 'বর্তমান অসুবিধার' কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ওষুধের অভাব, খাদ্য সংকট ও জ্বালানি সংকটের কারণে সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ছে। ডেলি মিরর রিপোর্ট করেছে যে জাতীয় হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন এবং কার্ডিয়াক অ্যানেস্থেসিওলজিস্টরা কর্তৃপক্ষকে লিখেছেন যে তারা ওষুধের ঘাটতি এবং জ্বালানী সংকটের কারণে সোমবার থেকে বেশ কয়েকটি অপারেশন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কলম্বো সাউথ টিচিং হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাগরী কিরিওয়ানদেনিয়া সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন যে জ্বালানী পাওয়ার অসুবিধার কারণে ডাক্তাররা কাজে যোগ দিতে সমস্যায় পড়েছেন। তিনি দ্য মর্নিংকে বলেন: “যে ডাক্তাররা ডিউটির জন্য রিপোর্ট করেন তারা তাদের যানবাহন জ্বালানির লাইনে রেখে দিয়ে তিন চাকার গাড়িতে বা পায়ে হেঁটে হাসপাতালে আসেন। তারা তাদের শিফট শেষ হবার পর আবার লাইন দিতে ফিরে যান।”
গত দুই সপ্তাহে, সারাদেশে প্রায় ৬০০টি বিতরণ স্টেশনের কাছাকাছি কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে। জ্বালানির জন্য তিন দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন লাখ লাখ গাড়িচালক।
জ্বালানি স্টেশনগুলি যুদ্ধক্ষেত্রের মতো, যেখানে পুলিশ এবং সশস্ত্র সামরিক কর্মী মোতায়েন রয়েছে। জ্বালানি ছাড়াই অনেক পেট্রোল পাম্পগুলির কাছে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষুব্ধ জনতা স্লোগান দিয়েছে এবং জনগণের উদ্বেগের অভাবের জন্য সরকারকে অভিশাপ দিয়েছে। কিছু জায়গায় সৈন্যরা অস্থিরতাকে 'নিয়ন্ত্রণ' করার জন্য বাতাসে গুলি চালিয়েছে এবং অন্যান্য জায়গায় পুলিশ আক্রমণ করেছে এবং লোকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
জ্বালানি সংকট অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ঘাটতি আরও তীব্র করেছে এবং দাম বাড়িয়েছে। অনেক লরি জ্বালানি পাওয়ার জন্য দিনের পর দিন লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। এমনকি এক এলাকার উৎপাদিত পণ্য সময়মতো অন্য এলাকায় পরিবহন করা যাচ্ছে না। এই ব্যাঘাত বিশেষ করে শাকসবজি এবং মাছের দামকে প্রভাবিত করেছে, দাম ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই চরম অর্থনৈতিক অস্থিরতা কোভিড-১৯ মহামারী এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন-ন্যাটো ছায়া যুদ্ধ দ্বারা উত্পাদিত হয়েছে, যা পণ্য ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শুকিয়ে যাচ্ছে রপ্তানি কমে যাওয়ায়, পর্যটন থেকে আয় কমে যাওয়া এবং বিদেশে কর্মরতদের অর্থ পাঠানো কমে যাওয়ার কারণে। বিদেশী ঋণ পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
ব্লুমবার্গে উদ্ধৃত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে শ্রীলঙ্কার মাত্র $১.৯ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ রয়েছে। এর মধ্যে ১.৫ বিলিয়ন ডলার চীন থেকে একটি অদলবদল করা ঋণ।
আইএমএফের একটি দল প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ট্রেজারি কর্মকর্তাদের সাথে দশ দিনের আলোচনা করেছে। এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে: 'আমরা আইএমএফের নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই কঠিন সময়ে শ্রীলঙ্কাকে সমর্থন করার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।'
তার মানে সরকারকে তার ঋণদাতাদের সাথে 'ঋণ পুনর্গঠন' পরিচালনা করতে হবে এবং আইএমএফকে সন্তুষ্ট করার জন্য সরকারী ব্যয় কমাতে হবে। আন্তর্জাতিক ঋণদাতারা, যারা সর্বদা তাঁদের ভাগ দাবি করে তাতে বিপর্যয় যাই হোক না কেন, তবেই তারা সর্বনিম্ন 'ঋণ ত্রাণ' প্রদান করবে।
সরকার সরকারী ব্যয় হ্রাস করে, বিশেষ করে সরকারী খাতের আকার কমিয়ে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের বেসরকারীকরণ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো সামাজিক কর্মসূচী কমিয়ে দিয়ে তার ব্যয় হ্রাস কঠোরতা কর্মসূচিকে আরও জোরদার করবে। ইতিমধ্যেই সরকার প্রায় ৮,০০,০০০ পাবলিক সেক্টরের চাকরি কমাতে শুরু করেছে এবং ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) সহ কর বৃদ্ধি করেছে।
বিশ্বব্যাংক গত সপ্তাহে অনুমান করেছে যে শ্রীলঙ্কা এই বছর ৭.৮ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৩.৭ শতাংশ অর্থনৈতিক সংকোচনের সম্মুখীন হবে৷ এটি IMF কঠোরতা নীতি এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের সম্মিলিত প্রভাবের ফলাফল৷
তার গ্লোবাল প্রসপেক্ট রিপোর্টে, বিশ্বব্যাংক সরকারকে IMF এর ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বিলম্ব না করার জন্য সতর্ক করে বলেছে: 'কর্তৃপক্ষের দ্বারা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে এবং ঋণ পুনর্গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের ক্ষেত্রে সংকোচন আরও বেশি হতে পারে।'
শ্রমিক শ্রেণী এই ক্রমবর্ধমান ভয়াবহ পরিস্থিতি এবং সরকারের কঠোর ব্যয় ব্যবস্থা সহ্য করবে না।
এপ্রিলের শুরু থেকে শ্রমিক, দরিদ্র মানুষ ও যুবকরা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন, বিক্ষোভ ও ধর্মঘট শুরু করেছে। লাখ লাখ শ্রমিক ৮ই এপ্রিল ও ৬ই মে একদিনের সাধারণ ধর্মঘটে যোগ দিয়েছিল।
তারা রাষ্ট্রপতি রাজাপাক্ষে এবং তার সরকারের পদত্যাগ দাবি করে এবং কঠোরতা নীতির অবসান, ঊর্ধ্বমুখী মূল্য এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুত ঘাটতি শেষ করার দাবি জানিয়েছে। এই সংগ্রামগুলি সমগ্র রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে মূলে নাড়া দিয়েছিল।
ট্রেড ইউনিয়নগুলি অনিচ্ছাকৃতভাবে একটি অন্তর্বর্তী শাসন এবং সাধারণ নির্বাচনের দাবিতে শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক বিরোধিতাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয়। এই দাবিগুলি বিরোধী দল সামগী জনা বালাওয়েগয়া (এসজেবি) এবং জনতা বিমুক্তি পেরামুনা (জেভিপি) দ্বারা গণ ক্ষোভকে সংসদীয় চ্যানেলে সরিয়ে দেওয়ার জন্য।
ইউনিয়নগুলি এই সংগ্রামগুলির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার পরে, SJB এবং JVP নব-নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহেকে তাঁদের সমর্থন জানিয়েছিল, যিনি 'অর্থনৈতিক সংকট সমাধান' করার জন্য IMF নীতিগুলিকে তীব্র করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
তবে শ্রমিক ও দরিদ্রদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ অনুভব করে এই বিরোধী দলগুলো নতুন সুর বাজাতে শুরু করেছে। গতকাল এসজেবি ও জেভিপির নেতারা নতুন সরকারকে জনগণের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেছেন। গতকাল থেকে এক সপ্তাহের সংসদ বর্জনের ঘোষণা করেছে তারা।
এসজেবি সর্বদলীয় সরকার এবং রাষ্ট্রপতি রাজাপাক্ষের পদত্যাগের ডাক দিয়েছে। জেভিপি অর্থনৈতিক সঙ্কট সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে 'রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার' জন্য আট মাসের সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী শাসনের দাবি করেছে।
উন্নিত গণ বিরোধিতাকে আবারও লাইনচ্যুত করার জন্য এগুলো ক্ষতিকর পদক্ষেপ। SJB এবং JVP এর মধ্যে ছোট কৌশলগত পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু তারা IMF এর কর্মসূচি বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোন বিকল্প প্রস্তাব করে না। উভয় দলই এই মাসের শুরুতে বিক্রমাসিংহের কর বৃদ্ধির বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
এই বিরোধী দলগুলির সাথে যুক্ত ট্রেড ইউনিয়নগুলিও তাদের সুরেই বাজনা বাজাবে। একটিও ইউনিয়ন সরকার কর্তৃক ঘোষিত কঠোরতা ব্যবস্থার বিরোধিতা করেনি, যা আইএমএফ নীতির প্রতি তাদের সমর্থনকেই প্রদর্শন করে।
সোশ্যালিস্ট ইকুয়ালিটি পার্টি (SEP) শ্রমিক ও যুবকদের গত দুই মাসের থেকে শিক্ষা নেবার আহ্বান জানাচ্ছে। তারা তাদের সংগ্রামকে ট্রেড ইউনিয়নের হাতে ছেড়ে দিতে পারে না, যারা শাসক শ্রেণীর শিল্প পুলিশ হিসেবে কাজ করছে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষা করছে। শ্রমিকদের উচিত প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে, বাগানগুলিতে এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রে ট্রেড ইউনিয়নগুলি থেকে স্বাধীনভাবে, তাদের নিজস্ব লড়াইয়ের সংগঠন হিসাবে অ্যাকশন কমিটি গঠন করা এবং সমস্ত নির্যাতিত ও যুবকদের তাতে জড়ো করা।
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এর কোনো সমাধান নেই। শুধুমাত্র শ্রমিক ও কৃষকদের সরকার এবং সমাজতান্ত্রিক নীতির জন্য লড়াইয়ের মাধ্যমেই শ্রমিক শ্রেণী আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্রের সংগ্রামের অংশ হিসেবে তার অধিকার রক্ষা করতে পারে।
আমরা শ্রমিক ও যুবকদের প্রতি আহ্বান জানাই SEP কর্তৃক ৩রা জুলাই বিকেল ৪টা আয়োজিত অনলাইন সভায় অংশগ্রহণ করার জন্য। যেখানে এই নীতিগুলি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
মিটিং এর জন্য এখানে রেজিষ্টার করুন: https://chords-org-lk.zoom.us/meeting/register/tJcqcO-sqDopGNIOeLXWE4d1hK76OP8KYGHf
