বাংলা

ভারতের সামরিকবাহীনিতে নতুন নিয়োগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ঢেউ ব্যাপক বেকারত্বের ক্ষোভের দ্বারা চালিত

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের ১৪ই জুন একটি নতুন চার বছরের, 'মেধা-ভিত্তিক' সামরিক নিয়োগ প্রকল্প - অগ্নিপথ বা দায়িত্বের সফর - কর্মীদের উপর সেনাবাহিনীর ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ভারতজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে আতঙ্কিত করে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তরুণদের দ্বারা সংগঠিত প্রতিবাদগুলি কয়েকদিন ধরে অব্যাহত ছিল। ব্যাপক বেকারত্বের উপর তাঁদের সামাজিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, বিশেষ করে উত্তর ভারতে, যা বিজেপির ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক দূর্গ।

সামরিক নিয়োগ প্রকল্প আগ্নিপথের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। (Photo Credit: Newsclick)


নতুন নিয়োগ প্রকল্পের অধীনে, সমস্ত নন-অফিসার নিয়োগকারী বা জওয়ানরা এখন থেকে পেনশন এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

ভারতীয় সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরে ভারতের ১.৩৮ মিলিয়ন-শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর বেতন এবং পেনশন এর খরচ কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন, যাতে করে বিশাল সামরিক বাজেট উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা কেনার জন্য ব্যাবহার করা যায়।

২০২২-২৩ সালে কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রতিরক্ষার জন্য ৫.২৫ ট্রিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পেনশনের খরচ রয়েছে ২০ শতাংশের বেশি, ১.১৯ ট্রিলিয়ন টাকা।

বিগত দুই দশক ধরে, ভারতের সরকারগুলি, তা সে বিজেপি বা কংগ্রেস পার্টি যার নেতৃত্বেই থাকুক না কেন, ভারতের সশস্ত্র বাহিনীকে দ্রুত গড়ে তুলেছে, যার মধ্যে রয়েছে 'নীল জলের নৌবাহিনী' তৈরি করা এবং একটি পারমাণবিক ট্রায়াড তৈরি করা - এটির ক্ষমতা স্থলে, বায়ু এবং জলের নিচে থেকে পারমাণবিক হামলা চালানো।

নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের সামরিক শক্তির বিকাশ এবং অস্ত্র উৎপাদনের 'স্বদেশীকরণ' ভারতের মহান-শক্তির উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আক্রমনাত্মকভাবে অনুসরণ করার জন্য, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী-চীন এবং কিছুটা কম পরিমাণে পাকিস্তান-কে মোকাবেলা করার জন্য এবং ওয়াশিংটনের সাথে এর প্রতিক্রিয়াশীল 'বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব' গভীরতর করা।

অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্প ঘোষণার আগের দিন ১৩ই জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যে এই বিবেচনাগুলি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। সিং ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার এক শ্রেণীর কর্মীকে বলেছেন যারা সবেমাত্র একটি যৌথ বেসামরিক-সামরিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছে, ভারতকে অবশ্যই 'পূর্ণ- যুদ্ধ' চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার সাথে মার্কিন-ন্যাটো যুদ্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে যুক্তি দেন যে ভারত আরও অশান্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশের মুখোমুখি হচ্ছে, যা সাইবার- এবং ছায়া যুদ্ধ দ্বারা চিহ্নিত এবং পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত চীনের সাথে যুদ্ধের জন্য ভারতের প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তির্যকভাবে উল্লেখ করেছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, “আমাদের প্রতিবেশীদের কৌশল বিবেচনা করে, বিশেষ করে একজন, যার ব্যাপারে আপনারা জানেন, ভারতকে ভবিষ্যতে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে”।

ভারত ইতিমধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী, শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের পিছনে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI) এর এপ্রিলে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালে ভারতের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৭৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২০ থেকে ০.৯ শতাংশ এবং ২০১২ থেকে ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে৷ যা চীন এবং পাকিস্তানের সাথে সামরিক সংঘর্ষের জন্য ভারতের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়, SIPRI উল্লেখ করেছে: 'ভারত তার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং অস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।'

অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখা-নৌ, স্থল এবং বিমান বাহিনীতে সমস্ত জওয়ানদের চার বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ছয় মাসের প্রশিক্ষণের সময়কাল। চার বছর শেষে, মাত্র ২৫ শতাংশ নিয়মিত সামরিক চাকরির জন্য পুনরায় তালিকাভুক্ত হবে।

অগ্নিপথ নিয়োগকারীদের প্রথম দল, অগ্নিবীর, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে তালিকাভুক্ত করা হবে, যেখানে ৪৬,০০০ যুবককে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে সরকার ১৭.৫ থেকে ২১ বছরের মধ্যে বয়সীদের জন্য অগ্নিপথ নিয়োগ সীমিত করেছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার প্রয়াসে- যাদের মধ্যে কেউ কেউ কোভিড-১৯ মহামারী চলাকালীন বেসরকারীভাবে 'সামরিক প্রশিক্ষণ কোর্সে' ভর্তি হয়েছিলেন যাতে তাদের নিয়োগের সম্ভাবনা আরও ভাল হয় নির্বাচিত হবার জন্য—সরকার এখন বয়সসীমা ২৩-এ উন্নীত করেছে।

৪৬,০০০ এর মধ্যে শুধুমাত্র ১১,৫০০ জনকে তাদের চার বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ধরে রাখা হবে। অবশিষ্ট ৩৪,৫০০ জন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১.১৭ মিলিয়ন টাকা ($১৪৯৫৫) একটি প্যাকেজ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে। এতে মৃত্যু এবং অক্ষমতা ক্ষতিপূরণের বিধানও রয়েছে। ৪ বছরের সময়কালে, একজন অগ্নিবীরের বেতন প্যাকেজ প্রথম বছরে প্রায় ৪,৭৬,০০০ টাকা ($6,083) হবে, চতুর্থ বছরে তা বেড়ে ৬,৯২,০০০ টাকা ($8,845) হবে।

বিদ্যমান সামরিক নিয়োগ কাঠামোর বিপরীতে, এই স্বল্পমেয়াদী সৈন্যরা পেনশন বা গ্র্যাচুইটি পাবার যোগ্য হবে না। এবং যখন ভারতীয় শাসক শ্রেণীর জন্য সম্ভাব্য কামানের খাদ্য হিসাবে তাদের চার বছর শেষ হবে, তখন তাদের বেকার, নিম্ন-কর্মসংস্থান এবং অনিশ্চিতভাবে কর্মরত ভারতের সেই বিশাল সেনার দিকে ঠেলে দেওয়া হবে।

ভারতীয় শ্রমিকদের সিংহভাগই তথাকথিত ' মজুরী ভিত্তিক' নিযুক্ত, যাদের কোনো সামাজিক নিরাপত্তা, পেনশন বা স্বাস্থ্য সুবিধা নেই। এমনকি তথাকথিত প্রচলিত ক্ষেত্রগুলিতেও (বৃহৎ বেসরকারি সংস্থা, রাষ্ট্রীয় খাত এবং সরকারি মালিকানাধীন সংস্থা) চুক্তি-শ্রম ক্রমশ ব্যাপক হয়ে উঠেছে।

এই পরিস্থিতিতে, পেনশন এবং অন্যান্য সুবিধার সুযোগ সহ সেনাবাহিনীতে স্থায়ী চাকরি পাবার সম্ভাবনাকে ব্যাপকভাবে সীমিত করার বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্ত, যুব সমাজের একটি অংশের মধ্যে, বিশেষ করে গ্রামীণ এবং ছোট শহর ও শহরে হতাশার বিস্ফোরণ ঘটায়।

বিহারের বেগুসরাই জেলার আনন্দপুর গ্রামের কৃষকের ছেলে রোহিত কুমার, যিনি চার বছর ধরে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, দ্য ওয়্যারকে বলেছেন: “নতুন স্কিম অনুসারে আমি চার বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করব এবং বেতন পাব প্রতি মাসে ২৫,০০০-৩০,০০০ টাকা। চার বছর পর হয়তো আমাকে সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হবে। তখন আমি কি করব? চার বছর পর পোকোড়া (স্ট্রিট ফুড) বিক্রি করতে হবে! যদি অন্য কোথাও প্রাইভেট চাকরি করি তা আমার পক্ষে ভালো হতে পারে।

বিহারের ছাপরা জেলার মখদুমগনি থেকে আঠারো বছর বয়সী শৈলেশ কুমার রাইও একটি সামরিক কর্মজীবনের দিকে নজর রেখেছিলেন। 'আমি দুই বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেনাবাহিনীতে যোগদানের পরে আমি একটি স্থিতিশীল ক্যারিয়ার পাব এই আশা নিয়ে, এবং চার বছর পরে আমি বেকার হয়ে যাব এটা ভেবে নয়' তিনি বলেছেন।

কোভিড-১৯ মহামারীতে মোদি সরকারের ধ্বংসাত্মক অব্যবস্থাপনার কারণে, লক্ষ লক্ষ ভারতীয়, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার অভিবাসী শ্রমিকরা যারা কর্মসংস্থানের সন্ধানে বড় শহরে গিয়েছিল, রাতারাতি তাদের জীবিকা হারিয়েছে। গত ডিসেম্বরে ভারতের বেকারত্বের হার ৭.৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ২০১৮-১৯ সালে ৬.৩ শতাংশ এবং ২০১৭-১৮ সালে ৪.৭ শতাংশ ছিল।

ভারতের যুবরা দেশের ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশেরও বেশি। প্রতি বছর, শ্রমশক্তি ৫০ লক্ষেরও বেশি লোক দ্বারা বৃদ্ধি পায়। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMIE) অনুসারে, ২০-২৯ বছর বয়সী প্রায় ৩ কোটি ভারতীয় বেকার এবং ২০২১ সালে কাজ খুঁজছিল। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার পরিসংখ্যান দেখায় যে এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৫-২৪ বছর বয়সী প্রতি চারজন যুবকের মধ্যে একজন কাজের বাইরে। এদিকে, CMIE-এর এপ্রিল ২০২২-এর তথ্য অনুসারে, ২০-২৪ বয়সের ৪২ শতাংশ এবং ২৫-২৯ বয়সের ১২.৭ শতাংশ বেকার৷

নিয়োগ প্রকল্পের উপর ক্ষোভের কারণে উত্তর প্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা এবং তেলেঙ্গানায় কয়েক হাজার সামরিক চাকরি প্রত্যাশীদের দ্বারা ক্ষুব্ধ বিক্ষোভের সূত্রপাত করেছে। ভারতের সর্বোচ্চ বেকারত্ব এবং দারিদ্র্যের হার রয়েছে এমন এই রাজ্যগুলি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর জনশক্তিতে একটি উল্লেখযোগ্য অংশের অবদান রাখে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার এবং পুরানো নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল রাখার দাবি জানায়। তারা প্রধান মহাসড়ক এবং রেললাইন অবরোধ করে, যার ফলে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে হিংস সংঘর্ষ হয়। কোথাও কোথাও বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।

সেকেন্দ্রাবাদ রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় জড়ো হওয়ার পরে এবং ট্রেনের বগিতে আগুন দেওয়ার পরে পুলিশ গুলি চালালে দক্ষিণ তেলেঙ্গানায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়। এতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়।

বিক্ষোভ বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে বেশ কয়েকটি রাজ্য ভারতের ফৌজদারি আইনের ১৪৪ ধারা জারি করে, চারজনের বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। শুধুমাত্র বিহারেই ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ সহ পুলিশ শত শত বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে।

সরকার, বড় ব্যবসাদারদের এবং কর্পোরেট মিডিয়া দ্বারা সমর্থিত, দৃঢ়ভাবে নতুন নিয়োগ প্রকল্পের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ঘোষণা করেছে যে এটি ফিরিয়ে নেওয়া হবে না। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে একটি যৌথ প্রেস সাক্ষাতে বক্তৃতা করে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সামরিক বিষয়ক বিভাগের লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরি ঘোষণা করেছেন যে সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে ইচ্ছুকদের একটি প্রশংসাপত্র উপস্থাপন করতে হবে, যা পুলিশ যাচাই সাপেক্ষ, দেখাতে হবে “তারা অগ্নিপথ বিরোধী বিক্ষোভ বা ভাঙচুরের অংশ নেয় নি।”

কংগ্রেস পার্টি এবং স্টালিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) বা সিপিএম সহ বিভিন্ন বিরোধী দল অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জন্য তাদের সমর্থন ঘোষণা করতে ছুটে এসেছে। যাইহোক, মোদি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে তাদের বিরোধিতা ডান দিক থেকে, এই দৃষ্টিকোণ থেকে যে এটি সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করবে। তদুপরি, তাদের কাছে আসল ইস্যু - বিপর্যয়কর অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং শ্রমিকশ্রেণী এবং গ্রামীণ মেহনতিদের উপর এর সম্পূর্ণ বোঝা চাপানোর জন্য শাসক শ্রেণীর সংকল্পের বিষয়ে প্রস্তাব করার কিছু নেই।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি. চিদাম্বরম, একজন কংগ্রেস নেতা, এটিকে '[সামরিক] প্রশিক্ষণের উপহাস' এবং এটি 'প্রতিরক্ষা বাহিনীতে একজন অপ্রশিক্ষিত এবং অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সৈনিককে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য' এই বলে একটি প্রেস কনফারেন্সে প্রকল্পটির সমালোচনা করেছেন। অন্য কথায়, নতুন স্কিম নিয়ে তার উদ্বেগ হল যে এটি ভারতের সামরিক বাহিনীকে দুর্বল করে দেবে, যা চীনের বিরুদ্ধে আরও যুদ্ধবাজ অবস্থানের কংগ্রেসের যে দাবি তাকে ছোটো করে দেবে।

সিপিএম, যেটি কয়েক দশক ধরে কংগ্রেস পার্টিকে বিজেপির 'ধর্মনিরপেক্ষ' বিকল্প হিসাবে প্রচার করছে, তা আরও স্পষ্ট। ১৬ই জুনের একটি বিবৃতিতে, স্তালিনবাদী দল বলেছে যে এটি এই প্রকল্পের 'দৃঢ়ভাবে অস্বীকৃতি(গুলি)' কারণ এটি 'ভারতের জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি করে' - যা ভারতীয় বুর্জোয়াদের প্রতিক্রিয়াশীল স্বার্থ - এবং 'গুরুতরভাবে আমাদের পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা এবং গুণমানের সাথে আপস করা।' একটি প্রকাশিত লেখায়, CPM বিবৃতি ঘোষণা করে: 'আমাদের যুবকদের চাকরির নিরাপত্তার ন্যূনতম সুরক্ষা ছাড়াই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো অপরাধ।

Loading