সোশ্যালিস্ট ইকুয়ালিটি পার্টি (এসইপি) ২০শে জুলাই শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ভোটকে প্রতারণা এবং শ্রমিক শ্রেণী, যুব এবং গ্রামীণ দরিদ্রদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসাবে নিন্দা করেছে। সংসদ কোনোভাবেই শ্রমজীবী জনগণের অর্থাৎ সমাজের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনৈতিক অনুভূতি ও স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে না।
রাষ্ট্রপতির পদ 'শূন্য' যা গণ-শ্রমিক-শ্রেণীর ধর্মঘট এবং কলম্বো শহরে ৯ই জুলাইয়ের বিশাল বিদ্রোহের ফলাফল যা গোটাভায়া রাজাপাক্ষেকে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করে এবং পরে তার পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। এখন, দেশের গণতান্ত্রিক বিরোধী সংবিধানের অধীনে, সংসদ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি বাছাই করার জন্য আহ্বান জানাবে - এমন একটি পদ যার ব্যাপক স্বৈরাচারী ক্ষমতা রয়েছে।
গত তিন মাসের গণ-বিক্ষোভের সবচেয়ে বিশিষ্ট স্লোগানগুলির মধ্যে একটি হল '২২৫ নিপাত যাক'—অর্থাৎ, সংসদের ২২৫ জন সদস্য। যদিও বিরোধী দলগুলির ঘনিষ্ঠ প্রতিবাদী নেতারা স্লোগানটিকে বাদ দেবার চেষ্টা করেছেন, এর জনপ্রিয়তা উদ্দেশ্যমূলকভাবে গত ৭৫ বছরের পুরো সংসদীয় ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করে।
স্লোগানটি গভীরভাবে আঘাত করেছে কারণ ধারাবাহিক সংসদগুলি, জনসাধারণের থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন, জীবনযাত্রার মানকে অসহনীয় পর্যায়ে অবনতি ঘটানোর জন্য দায়ী। যখন বর্তমান সংসদের কথা আসে তখন এটি চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক বৈধতা নেই, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করারও। সমস্ত সংসদ সদস্য এবং সমস্ত দল, তাদের রাজনৈতিক আকার-প্রকার যাই হোক না কেন, ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সাথে স্পষ্টভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
এপ্রিলে যখন সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়, তখন কেন্দ্রীয় দাবি ছিল প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোটাভায়া রাজাপাক্ষে এবং তার ভাই, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাক্ষের পদত্যাগের। গণধর্মঘট ও বিক্ষোভের পর মাহিন্দা রাজাপাক্ষেকে ৯ই মে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলে, রাষ্ট্রপতি রাজাপাক্ষে তার জায়গাতে স্থলাভিষিক্ত করেন রনিল বিক্রমাসিংহেকে, একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ভাড়াটে রাজনৈতিক এবং ডানপন্থী ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দালাল হিসেবে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কঠোরতা দাবি বাস্তবায়ন করার দীর্ঘ রেকর্ড রয়েছে বিক্রমাসিংহের, ব্যাপকভাবে ঘৃণ্য। ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ইউএনপি তার সবকটি আসন হারিয়েছে এবং বিক্রমাসিংহে, শুধুমাত্র দলের জাতীয় তালিকার মাধ্যমে সংসদে প্রবেশ করেছে।
তবুও এই ঘৃণ্য ব্যক্তিকে গণতন্ত্রবিরোধীভাবে স্থাপন করা হয়েছে, প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে, তারপরে গত শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন। এখন, রাজনৈতিক ও কর্পোরেট অভিজাতদের এক অংশের সমর্থনে, তিনি তাকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার জন্য সংসদে প্রচার চালাচ্ছেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ জোরদার হচ্ছে ও ছড়িয়ে পড়ছে।
শনিবার রাতে, ক্যান্ডি এবং মাতারার প্রতিবাদ স্থানগুলির নাম পরিবর্তন করে 'গোটা গোগামা' - যার অর্থ গোটাভায়া বাড়ি যাও, অর্থাৎ পদত্যাগ - 'রানিল গোগামা' বা রনিল বাড়ি যাও। কলম্বোতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের বাইরের প্রতিবাদস্থলটিরও একইভাবে নামকরণ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পদের জন্য পেছনে ঘোড়া-কেনাবাচা তীব্র হওয়ার সাথে সাথে আরও তিনজন ব্যক্তিত্ব তাদের প্রার্থী হবার কথা ঘোষণা করেছেন: সজিথ প্রেমাদাসা, বিরোধী সামগী জনা বালাওয়েগয়া (এসজেবি) এর নেতা; রাজাপাকসের শ্রীলঙ্কা পোদুজানা পেরামুনা (SLPP) থেকে ডালাস আলাহাপেরুমা; এবং অনুরা কুমারা দিসানায়েক, বিরোধী জনতা বিমুক্তি পেরামুনা (জেভিপি) এর নেতা।
এই তিনজনই শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মানকে রাস্তায় নামিয়ে আনার জন্য এই সরকারে অংশগ্রহণ করেছে বা তাকে সমর্থন করেছে। তিনজনই জোর দিয়ে বলেছেন যে আইএমএফের বেসরকারীকরণের বর্বর কঠোরতা কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া, সরকারী ব্যয়ে গভীর কাটছাঁট এবং অবশিষ্ট যা ভর্তুকি আছে তা শেষ করা ছাড়া বর্তমান সংকট থেকে বেরিয়ে আসার আন্য কোনও উপায় নেই।
IMF-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা শনিবার ইন্দোনেশিয়ায় G20 অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকে বলেছেন যে শ্রীলঙ্কা উচ্চ ঋণের দেশগুলির জন্য একটি 'সতর্ক সংকেত'। এটি আন্তর্জাতিকভাবে শাসক মহলে আশঙ্কা প্রকাশ করে যে পুঁজিবাদের বৈশ্বিক সঙ্কট শুধুমাত্র তথাকথিত অনুন্নত দেশগুলিতে নয়, সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্রগুলিতেও শ্রীলঙ্কার মতো জনপ্রিয় বিদ্রোহের পরিস্থিতি তৈরি করছে।
শ্রীলঙ্কায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দেশটির ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট দ্বারা চালিত হয়েছে। জ্বালানির জন্য কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে গিয়ে উনিশ জন মারা গেছেন । শনিবার, জ্বালানি মন্ত্রী কাঞ্চনা বিজেসেকারা একটি 'জাতীয় জ্বালানী পাস' এর মাধ্যমে জ্বালানীর রেশনিং প্রকল্পের আরও বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছেন। মাওয়ানেল্লা, গাম্পাহা এবং পোলোনারুওয়া সহ প্রাদেশিক শহরগুলির স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিবাদ করছেন যে, সরকারী আশ্বাস সত্ত্বেও, তাদের কাজে যাবার জন্য জ্বালানী পাওয়া যাচ্ছে না।
ওষুধ, রান্নার গ্যাস, দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং মৌলিক খাদ্য সামগ্রীর মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দুষ্প্রাপ্য এবং অনেকের কাছেই তা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। ইউনিভার্সিটি অফ পেরাডেনিয়ার সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, ৯,০০,০০০ নিম্ন-আয়ের পরিবার দিনে মাত্র এক বেলা বা দুই বেলা খাবারের সামর্থ্য রাখে। অর্থনৈতিক সংকটের ফলে, ১৬,৩০০ বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার ২০ শতাংশ বন্ধ হওয়ার কারণে ৩০ লক্ষ চাকরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
ট্রেড ইউনিয়নগুলি হস্তক্ষেপ করেছে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে লড়াই করার জন্য নয়, বরং শ্রমিক শ্রেণীর স্বাধীন আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য। যেকোন ধর্মঘট কর্মসূচি কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে, এমণভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে ঠান্ডা হয়ে পরে এবং দেউলিয়া বিরোধী দলগুলির কাছে কর্মরত জনগণকে বেঁধে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
ট্রেড ইউনিয়ন এবং গণসংগঠন গোষ্ঠীগুলি ১৪ই জুলাই ঘোষণা করেছে যে গোটাভায়া রাজাপাক্ষে এবং রনিল বিক্রমাসিংহে তাদের পদ ছেড়ে না দিলে তারা একটি সাধারণ ধর্মঘট এবং হরতাল (ব্যবসা বন্ধ) শুরু করবে। একই দিনে, ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয় কেন্দ্রের (টিইউসিসি) সহ-আহ্বায়ক রবি কুমুদেশ, আরেকটি ইউনিয়ন ফ্রন্ট, সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে সংসদীয় স্পিকার সহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি দেশের রাজনৈতিক সংকটের একটি সাংবিধানিক সমাধান না দেন তবে ইউনিয়ন সংগ্রাম শুরু করবে।
শ্রমিকশ্রেণির মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিষ্টানের প্রতি গভীর শত্রুতার প্রতিক্রিয়ায় তৈরি এই ট্রেড ইউনিয়নের হুমকিগুলো একেবারেই বিদ্রুপকারী এবং ফাঁপা। একটি 'সাংবিধানিক সমাধানের' আহ্বান অত্যন্ত প্রকাশ করে এটি দেখায় যে ট্রেড ইউনিয়নগুলি আচ্ছন্ন, শ্রমিকদের নিপীড়নমূলক জীবনযাপনের পরিস্থিতি নিয়ে নয়, বরং পুঁজিবাদী রাষ্ট্র এবং বুর্জোয়া শাসনকে সমর্থন করতে।
একই ইউনিয়ন ব্যাবস্থপনাগুলি ঘোষণা করেছে যে ১৩ই জুলাই রাজাপাক্ষে পদত্যাগ না করলে তারা 'সর্বস্ব' সংগ্রাম চালাবে, কিন্তু এই ধরনের কোন সংগ্রাম শুরু হয়নি। তাছাড়া, বিক্রমাসিংহে পদত্যাগতো করেনইনি, এখন প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। শনিবার বিক্রমাসিংহের কাছে একটি খোলা চিঠিতে, কুমুদেশ তার 'সৎ সমর্থন' দেওয়ার জন্য এবং অন্তত পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সরকার বিরোধী বিক্ষোভের প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য তাকে অনুরোধ করেছেন।
বিক্রমাসিংহে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কী করবেন তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিষ্ঠিত হওয়ার পরপরই, তিনি সতর্ক করেছিলেন যে সবচেয়ে কঠিন সময় সামনে রয়েছে এবং অনিবার্যভাবে জনগণকে নতুন বোঝা বহন করতে হবে। তিনি IMF-এর সাথে আলোচনার নেতৃত্ব দিয়েছেন যাদের দাবী সরকারী সংস্থাগুলিকে ধ্বংস করা যার অর্থ হবে অনিবার্যভাবে শ্রমজীবী মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগ।
বিক্রমাসিংহে বিরোধীদের দমনে সম্পূর্ণ নির্মম হওয়ার ইচ্ছা প্রদর্শন করে শাসক চক্রের সমর্থন চাইছেন। গত সপ্তাহে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত হওয়ার পরপরই তিনি সারা দেশে জরুরি অবস্থা ও কার্ফু জারি করেন। একটি টেলিভিশন বিবৃতিতে তিনি সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের 'ফ্যাসিস্ট' হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন এবং 'শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার' করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা করার জন্য সেনাবাহিনীকে ছাড় দিয়েছেন।
বুর্জোয়া রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সমস্ত দল, তাদের ছদ্ম-বাম সমর্থক এবং ট্রেড ইউনিয়ন আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে, সোশ্যালিষ্ট ইকোয়ালিটি পার্টি শ্রমিক শ্রেণী, যুবক এবং গ্রামীণ দরিদ্রদেরকে একটি বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচির জন্য লড়াই করার আহ্বান জানায়, যা তারা যে বিশাল সামাজিক সংকটের মোকাবেলা করছে তার একমাত্র সমাধান।
আমরা দ্বীপ জুড়ে প্রতিটি কর্মক্ষেত্র, কারখানায়, বাগানে, মহল্লাতে এবং গ্রামীণ এলাকায় শ্রমিক ও দরিদ্র কৃষকদের অ্যাকশন কমিটি গঠনের আহ্বান জানাই, যা তাদের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক অধিকারের লড়াইয়ে প্রতিষ্ঠিত দল ও ইউনিয়নগুলি থেকে সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন হবে। পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সংগ্রামে চতুর্থ আন্তর্জাতিকের আন্তর্জাতিক কমিটি কর্তৃক সূচিত র্যাঙ্ক-এন্ড-ফাইল কমিটির আন্তর্জাতিক শ্রমিক জোটের সাথে তাকে যুক্ত করে অ্যাকশন কমিটির একটি নেটওয়ার্ক অবশ্যই স্থাপন করতে হবে।
এসইপি গণতান্ত্রিক এবং সমাজতান্ত্রিক দাবির সমর্থন করে, সরাসরি শ্রমজীবী মানুষের জ্বলন্ত চাহিদাগুলিকে সম্বোধন করে, যেগুলিকে সামনে রেখে অ্যাকশন কমিটিগুলি লড়াই করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বড় ব্যবসা ও ব্যাংকের জাতীয়করণ, কোটিপতিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, সমস্ত বৈদেশিক ঋণ প্রত্যাখ্যান, দরিদ্র কৃষকদের ঋণ মুকুব, বৈদেশিক বাণিজ্যে একচেটিয়া প্রতিষ্ঠা করা এবং শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করা মুদ্রাস্ফীতির সাথে সঙ্গতি রেখে।
নতুন রাষ্ট্রপতির জন্য সংসদে বুধবারের ভোটের প্রতারণা প্রত্যাখ্যান করে, আমরা অবিলম্বে স্বৈরাচারী নির্বাহী রাষ্ট্রপতি পদের বিলুপ্তির দাবি জানাই।
শ্রমিক শ্রেণীর একটি স্বাধীন আন্দোলন, যা তার গণতান্ত্রিক এবং সামাজিক অধিকারের জন্য লড়াই করে, যুবক এবং গ্রামীণ দরিদ্রদের তার পক্ষে জড়ো করবে এবং সমাজতান্ত্রিক নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শ্রমিক ও কৃষকদের সরকারের ভিত্তি স্থাপন করবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ায় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমাজতন্ত্রের জন্য বৃহত্তর সংগ্রামের একটি অংশ।
আমরা শ্রমিক, যুবক, ছাত্র এবং গ্রামীণ দরিদ্রদের এই বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচির জন্য লড়াই করতে এগিয়ে আসতে এবং এসইপি-তে যোগ দেবার জন্য আবেদন করছি।
